সুষ্ঠু নির্বাচনের নির্দিষ্ট ডেফিনেশন নেই: ইসি-emtv - দৈনিক একুশে

এইমাত্র পাওয়া খবর

Home Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Sunday, 1 July 2018

সুষ্ঠু নির্বাচনের নির্দিষ্ট ডেফিনেশন নেই: ইসি-emtv



একুশে মিডিয়া টিভি:

নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, যেহেতু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নির্দিষ্ট কোনো ডেফিনেশন তথা সংজ্ঞা নেই, তাই কমিশন আইনানুগ নির্বাচন করে থাকে। নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রোববার তিনি একথা বলেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসি সন্তুষ্ট কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, সন্তুষ্ট-অসন্তুষ্টের প্রশ্নটা আসতেছে কেন? এখানে আইনানুগ নির্বাচন হয়েছে কিনা এই জিনিসিটা বলতে পারেন। কোনটা মুখ্য- সার্বিক দৃষ্টিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নাকি আপনাদের দৃষ্টিতে আইনানুগ নির্বাচন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভোটারদের সন্তুষ্টি, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে তাদের সন্তুষ্টি এবং তাদের গ্রহণযোগ্যতার উপর ভিত্তি করেই নির্বাচন করতে হবে। তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এজন্যই আমরা কাজ করি। ‘আর আমাদের কাছে যেহেতু সুষ্ঠুর কোনো ডেফিনেশন নেই। কিন্তু আইনের একদম নির্ধারিত ডেফিনেশন আছে, ওটার ব্যাখ্যা আছে। সেজন্য আমরা যখন কাজ করি, তখন আইনানুগ নির্বাচন করার জন্যই সমস্ত কার্যক্রম করি। আর আইনানুগ নির্বাচন হলে পরেই আমরা ধরে নেই যে, এটা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে বিবেচিত হবে’ যোগ করেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, আইনানুগ এবং সুষ্ঠু ভোটের মধ্যে কিন্তু কিছুটা হলেও কনফ্লিক্ট (বৈপরিত্ব) আছে। আমি দেখতে চাই যে, আইনানুগ হয়েছে কি না। বিরোধী দল এবং আওয়ামী লীগেরও যারা এরেস্ট হয়েছে তারা বলছেন যে, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে পারেনি। আর আমি বলছি- আমরা আইনানুগ পরিবেশ বজায় রেখেছি। গাজীপুরে নির্বাচন অবাধ হয়নি অর্থাৎ মানুষ সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি- ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের মন্তব্যের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘উনি কমেন্টস (মন্তব্য) করেছেন। উনি দয়া করে যদি আমাদেরকে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করেন, কেন উনি এই কমেন্টসটা করেছেন। তাহলে ওটা আমরা খতিয়ে দেখব।’ তিনি আবারো বলেন, ‘আমাদের কাছে কিন্তু প্রথমে ডেফিনেশনটা দরকার। অবাধের ডেফিনেশনটা যদি পাই তাহলে ওটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কিনা এটা কিন্তু একটা বিরাট ব্যাপার। তখন আমরা এটা দেখব।’ তিন (সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী) সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে আমরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলব। আচরণবিধি বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হবে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন কুমিল্লা ও রংপুর সিটি থেকে খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচন খারাপ হয়েছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘এটা আমি বুঝি না। খুলনা নির্বাচনে ফায়ার আর্মস (আগ্নেয়াস্ত্র) থেকে কোনো ফায়ার (গুলি) করা হয় নাই, গাজীপুরেও হয় নাই। কিন্তু কুমিল্লা এবং রংপুরে ফায়ার আর্মস থেকে ফায়ার ওপেন করা হয়েছে। তারপরও ওটাকে বলতেছেন সবকিছু ঠিক আছে। আর এটাকে বলতেছেন না।’ ‘কেন বলতেছেন না এ জবাব তো আমি দিতে পারব না। আমার কাছে মনে হয়েছে, একটা আর্মস ব্যবহার, একটা লাঠিচার্জ- কিছুই করতে হয়নি এ দুটো নির্বাচনে। আর আগের দুটোতে (কুমিল্লা, রংপুর) দুটোই করতে হয়েছে’ যোগ করেন রফিকুল ইসলাম।নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, যেহেতু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নির্দিষ্ট কোনো ডেফিনেশন তথা সংজ্ঞা নেই, তাই কমিশন আইনানুগ নির্বাচন করে থাকে। নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রোববার তিনি একথা বলেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসি সন্তুষ্ট কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, সন্তুষ্ট-অসন্তুষ্টের প্রশ্নটা আসতেছে কেন? এখানে আইনানুগ নির্বাচন হয়েছে কিনা এই জিনিসিটা বলতে পারেন। কোনটা মুখ্য- সার্বিক দৃষ্টিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নাকি আপনাদের দৃষ্টিতে আইনানুগ নির্বাচন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভোটারদের সন্তুষ্টি, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে তাদের সন্তুষ্টি এবং তাদের গ্রহণযোগ্যতার উপর ভিত্তি করেই নির্বাচন করতে হবে। তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এজন্যই আমরা কাজ করি। ‘আর আমাদের কাছে যেহেতু সুষ্ঠুর কোনো ডেফিনেশন নেই। কিন্তু আইনের একদম নির্ধারিত ডেফিনেশন আছে, ওটার ব্যাখ্যা আছে। সেজন্য আমরা যখন কাজ করি, তখন আইনানুগ নির্বাচন করার জন্যই সমস্ত কার্যক্রম করি। আর আইনানুগ নির্বাচন হলে পরেই আমরা ধরে নেই যে, এটা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে বিবেচিত হবে’ যোগ করেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, আইনানুগ এবং সুষ্ঠু ভোটের মধ্যে কিন্তু কিছুটা হলেও কনফ্লিক্ট (বৈপরিত্ব) আছে। আমি দেখতে চাই যে, আইনানুগ হয়েছে কি না। বিরোধী দল এবং আওয়ামী লীগেরও যারা এরেস্ট হয়েছে তারা বলছেন যে, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে পারেনি। আর আমি বলছি- আমরা আইনানুগ পরিবেশ বজায় রেখেছি। গাজীপুরে নির্বাচন অবাধ হয়নি অর্থাৎ মানুষ সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি- ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের মন্তব্যের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘উনি কমেন্টস (মন্তব্য) করেছেন। উনি দয়া করে যদি আমাদেরকে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করেন, কেন উনি এই কমেন্টসটা করেছেন। তাহলে ওটা আমরা খতিয়ে দেখব।’ তিনি আবারো বলেন, ‘আমাদের কাছে কিন্তু প্রথমে ডেফিনেশনটা দরকার। অবাধের ডেফিনেশনটা যদি পাই তাহলে ওটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কিনা এটা কিন্তু একটা বিরাট ব্যাপার। তখন আমরা এটা দেখব।’ তিন (সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী) সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে আমরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলব। আচরণবিধি বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হবে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন কুমিল্লা ও রংপুর সিটি থেকে খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচন খারাপ হয়েছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘এটা আমি বুঝি না। খুলনা নির্বাচনে ফায়ার আর্মস (আগ্নেয়াস্ত্র) থেকে কোনো ফায়ার (গুলি) করা হয় নাই, গাজীপুরেও হয় নাই। কিন্তু কুমিল্লা এবং রংপুরে ফায়ার আর্মস থেকে ফায়ার ওপেন করা হয়েছে। তারপরও ওটাকে বলতেছেন সবকিছু ঠিক আছে। আর এটাকে বলতেছেন না।’ ‘কেন বলতেছেন না এ জবাব তো আমি দিতে পারব না। আমার কাছে মনে হয়েছে, একটা আর্মস ব্যবহার, একটা লাঠিচার্জ- কিছুই করতে হয়নি এ দুটো নির্বাচনে। আর আগের দুটোতে (কুমিল্লা, রংপুর) দুটোই করতে হয়েছে’ যোগ করেন রফিকুল ইসলাম। 

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages