পালিয়ে বাঁচল স্ত্রীমা-ভাই ও খালাকে খুনের পর যা বললেন তুহিন!-emtv - দৈনিক একুশে

এইমাত্র পাওয়া খবর

Home Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Tuesday, 3 July 2018

পালিয়ে বাঁচল স্ত্রীমা-ভাই ও খালাকে খুনের পর যা বললেন তুহিন!-emtv


একুশে মিডিয়া টিভি, ষ্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:
পাবনার বেড়ায় ছেলের বিরুদ্ধে তার মা, ছোট ভাই ও আপন খালাকে গলা কেটে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (৪ জুলাই) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের সোনাপদ্মা নতুন চারা বটতলাগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বেড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশিষ বিন হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-ওই গ্রামের মিঠু হোসেনের স্ত্রী বুলি খাতুন (৪০), ছোট ছেলে তুষার হোসেন (১০) ও বুলি খাতুনের আপন বোন নছিমন খাতুন (৪৫)। হত্যাকারী বড় ছেলের নাম তুহিন হোসেন (২২)।
পরিবারের বরাত দিয়ে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশিষ বিন হাসান জানান, বুধবার ভোররাত চারটার দিকে ওই গ্রামের মিঠু হোসেনের ছেলে তুহিন হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মা বুলি খাতুন (৪০), ছোট ভাই তুষার হোসেন (১০) ও আপন খালা নছিমন খাতুন (৪৫) কে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। কেন, কি কারণে সে তার পরিবারের তিনজকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তুহিন হোসেনের স্ত্রী রুনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, ফজরের আজানের কিছু আগে ঘুম ভেঙে যায় তার শ্বাশুড়ীর গোঙানীর শব্দ শুনে। এ সময় তার পাশে স্বামীকে দেখতে পাননি তিনি। দরজা খুলে বাইরে গিয়ে দেখেন বাড়ির উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় তার শ্বাশুড়ী, ছোট দেবর ও খালা শ্বাশুড়ীর লাশ পড়ে আছে। পাশে ধারালো অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে তার স্বামী। ওই সময় স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তুহিন বলে, ‘সব কটারে শেষ করে দিলাম।’ এ দৃশ্য দেখে দৌঁড়ে পাশের বাড়িতে পালিয়ে যান স্ত্রী রুনা।
পরে প্রতিবেশিরা জানতে পেরে থানায় খবর দিলে সকালে পুলিশ বাড়ির উঠোন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে হত্যাকারী তুহিন পলাতক রয়েছে। হত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তুহিনের স্ত্রী রুনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার স্বামী টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। তারপর থেকে তুহিনের মেজাজ খিটখিটে ছিল। তুচ্ছ ঘটনায় মানুষের সাথে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তো।
সর্বশেষ লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।



No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages